• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় বিএনপির দুর্গ ভাঙতে নীরব কৌশলে জামায়াত ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ

ঘুষ নেয়ার অভিযোগ ডিআইজি মিজানের, দুদক পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্ত

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৮৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯

১০ জুন ২০১৯ ,বিন্দুবাংলা টিভি .কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

নারী নির্যাতনের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে দুদক পরিচালকের ঘুষ নেয়ার অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। আগামী রোববার (১০ জুন) সন্ধ্যার মধ্যেই দুদক মহাপরিচালকের কাছে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, আজকের মধ্যে এই কমিটি দুদকের মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবৈধ সম্পদের তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজান। এরপরই পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসিরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজানের দাবি, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ২ মে পর্যন্ত দুই দফায় (প্রথমে ২৫ লাখ, পরে ১৫ লাখ) ঘুষের এই টাকা লেনদেন হয়েছে রমনা পার্ক এবং পুলিশ প্লাজায় অবস্থিত ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর কাপড়ের দোকানে। দুদকের ওই পরিচালক ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এর মধ্যে অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা ছাড়াও তিনি তার সন্তানের স্কুলে আসা-যাওয়ার জন্য একটি প্রাইভেটকারও চান। দুদকের ওই পরিচালক ঘুষের টাকা ব্যাংকে বেনামি অ্যাকাউন্টে রাখার চেষ্টা করেন বলেও দাবি বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানের।

প্রসঙ্গত, প্রায় দুই বছর আগে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিললেও এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।জাগরন


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন