• বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় বিএনপির দুর্গ ভাঙতে নীরব কৌশলে জামায়াত ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ

কুমিল্লায় ৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ১৭০ নারী-শিশু

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৪৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০১৯

সোমবার ৮ জুলাই ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

 

অনলাইন ডেস্কঃ
কুমিল্লায় বেড়েছে ধর্ষণের ঘটনা। গত এক মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে অন্তত ৩৭ জন। আর গত ৬ মাসে সব মিলিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে অন্তত ১৭০ জন নারী। ধর্ষণের শিকার এই নারী ও শিশুদের মধ্যে ৩ বছরের শিশু যেমন আছেন তেমনি আছে ৫০ বছরের নারীও। কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের নিবন্ধন বই থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

কুমিল্লায় গত ৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ১৭০ নারী ও শিশুর মধ্যে জানুয়ারী মাসে ২১ জন, ফেব্রুয়ারী মাসে ২৯ জন, মার্চ মাসে ২৬ জন, এপ্রিল মাসে ২৭ জন, মে মাসে ৩২ জন ও জুন মাসে ৩৫ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের এক উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ করার না শর্তে জানান, আমরা প্রতিদিনই ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় কারো না কারো পরীক্ষা করছি। ধর্ষণের ঘটনাটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ধর্ষণের ঘটনায় যারা ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আসে ৫ বছরের শিশু থেকে ৫০ বছরের নারীও রয়েছে। তবে ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী নারীদের সংখ্যা বেশি। তাছাড়াও গত ছয় মাসে আমরা সড়ক দুর্ঘটনা, অপমৃত্যু ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রায় ৫৫০জনের বেশি ময়নাতদন্ত ও ভিকটিম পরীক্ষা করেছি।

গত ১৮১ দিনে (১জানুয়ারী থেকে ৩০জুন ২০১৯ পর্যন্ত) হত্যা, সড়ক দুর্ঘটনা, রেল দুর্ঘটনা, আত্মহত্যাসহ নানা কারণে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে ৩৭৪ জনের । এর মধ্যে জানুয়ারী মাসে ৭০জন, ফেব্রুয়ারী মাসে ৪৯ জন মার্চ মাসে ৪৯ এপ্রিল মাসে ৫৪ জন, মে মাসে ৭৩ জন জুন মাসে ৭৯ জন।

উল্লেখ্য, গত ২০১৪ সালে ৩৬৫ দিনে নারী ও শিশু ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ২৪৫ জন, ২০১৫ সালে ৩৬৫ দিনে ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ২৪৭ জনে, ২০১৬ সালে এর সংখ্যা ছিল ২৬৭ জনে, ২০১৭ সালে ৩৩০ জনে এসে দাড়িয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন