• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পদ ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ, কয়েক জেলায় পাইলট প্রকল্পের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ হলে শিল্প খাতে লোডশেডিং কমবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত কলেরা প্রতিরোধে দেশের উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ১৪ এলাকায় টিকাদান শুরু তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এখন পূর্ণ মন্ত্রী দুইজন আগামীকাল বঙ্গভবনে উঠবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল কুমিল্লায় একদিনে ৩৯ মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৬৫ রিজভীর সঙ্গে ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চিৎকার শুনে ছুটে আসা স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার নারীকেই মারধর করে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৩৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট।।

কুমিল্লার মুরাদনগরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মূল অভিযুক্তসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর তিনি যখন সাহায্য চাচ্ছিলেন, তখন তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সূত্র : আজকের পত্রিকা

পুলিশ বলছে, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। এরপর তাঁরা অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত ফজর আলীকে (৩৮) ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করে। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজন—মো. সুমন, রমজান আলী, মো. আরিফ ও মো. অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মারধর করা ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্যমতে, তিনি প্রায় ১৫ দিন আগে সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে অভিযুক্ত ফজর আলী তাঁর বাড়িতে গিয়ে দরজার বাইরে থেকে ডাক দেন। দরজা না খোলায় ফজর আলী ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের পর ওই নারী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। কিন্তু তারা প্রকৃত ঘটনা না জেনে উল্টো নারীকেই দোষারোপ করে মারধর শুরু করে এবং সেই অবস্থায় ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা বুঝতে পারে, ওই নারী আসলে ধর্ষণের শিকার। তখন স্থানীয়রা ফজর আলীকে আটক করে মারধর করে এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফজর আলী হাসপাতাল থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।

পরদিন শুক্রবার রাতে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে তোলপাড় হয়। এরপর পুলিশ ওই নারীকে থানায় যেতে উদ্বুদ্ধ করে। গতকাল শনিবার রাতে তিনি মুরাদনগর থানায় মামলা করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, ওই নারী ধর্ষণের শিকার হলেও তাঁরা শুরুতে বিষয়টি না বুঝে ভুল করেছেন। পরে যখন আসল ঘটনা জানতে পারেন, তখন লজ্জায় পড়েন। যারা ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে, তাদেরও বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, ‘প্রথমে ওই নারী থানায় অভিযোগ করেননি। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আমরা বিষয়টি জানতে পারি এবং তাঁকে সহায়তা করি। তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

পুলিশ জানায়, ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন