সন্ত্রাসবিরোধী আইন জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পরও কুমিল্লার দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলায় আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এ বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে এক বক্তব্যে বলেন, আইন পাস হওয়ার পরও যদি কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী ব্যক্তিরা মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা চালায়, তবে তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি স্বরূপ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দাউদকান্দি ও মেঘনায় কিছু আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এখনো বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে এবং স্থানীয়ভাবে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড থেকে অবিলম্বে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
একই সঙ্গে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার ভাষায়, “জাতীয় সংসদে আইন পাস হওয়ার পরও কীভাবে আওয়ামী লীগের পদধারী ব্যক্তিরা এখনো চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকছেন—এটি প্রশাসনের কাছে বড় প্রশ্ন।”এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য থাকলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।